
দেশে ইউরিয়া সারের উৎপাদন ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বড় ধরনের আমদানি উদ্যোগ নিয়েছে। শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানিয়েছেন, মোট ৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী-এর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাপী চলমান সংঘাত ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব ইউরিয়া সার কারখানায় পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে বর্তমানে শুধুমাত্র ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি উৎপাদনে রয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জিটুজি (G2G) চুক্তির আওতায় বিভিন্ন দেশ থেকে সার আমদানির পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে Saudi Basic Industries Corporation (সাবিক) থেকে ২ লাখ মেট্রিক টন এবং Fertiglobe থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে আরও ৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া আমদানি করা হবে।
কারখানা চালুর বিষয়ে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে আগামী ১ মে থেকে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড পুনরায় উৎপাদনে যেতে পারবে।
এছাড়া টিএসপি ও ডিএপি সারের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল—রক ফসফেট, ফসফরিক এসিড ও সালফারের সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এসব কাঁচামাল সংগ্রহে টেন্ডার পদ্ধতির পাশাপাশি মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে আমদানি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।