
পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন ইরানের প্রভাবশালী নেতা Mojtaba Khamenei। তিনি ট্রাম্পকে ‘মহা শয়তান’ বলে অভিহিত করে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরানের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ইরান পারস্য উপসাগরকে তাদের কৌশলগত সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতিকে অস্থিতিশীলতার মূল কারণ হিসেবে দেখছে। খামেনি স্পষ্ট করে বলেন, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না তেহরান এবং বিদেশি শক্তিকে এই অঞ্চল থেকে সরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই তারা কাজ করছে।
বর্তমানে Strait of Hormuz টানা ৫৫ দিনের বেশি সময় ধরে অচল রয়েছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। ইরান শর্ত দিয়েছিল, তাদের বন্দরের ওপর থেকে মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন প্রশাসন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে খামেনি দাবি করেন, অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোই অস্থিরতার প্রধান উৎস। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দূর থেকে এসে যারা এই অঞ্চলে অশান্তি তৈরি করবে, তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।
সম্প্রতি ইরানের নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে উন্নত অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দেওয়ার পর তিনি আরও কঠোর সুরে বলেন, প্রয়োজনে প্রতিপক্ষকে ‘পানির গভীরে’ পাঠানো হবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি ‘নতুন অধ্যায়’ শুরু হতে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে পারে।
সবশেষে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবমুক্ত একটি অঞ্চলই হবে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের ভিত্তি।