
দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে ঢাকা সিলেট ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে যাত্রী পরিবহন ও পণ্য সরবরাহ আরও দ্রুত ও কম খরচে সম্ভব হবে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
শনিবার সিলেট সিটি করপোরেশন-এর নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার যোগাযোগ খাতে রেলপথকে অগ্রাধিকার দিতে চায়, কারণ সড়কপথ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অতিরিক্ত সড়ক নির্মাণের ফলে যানজট বাড়ার পাশাপাশি কৃষিজমির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
প্রধানমন্ত্রী বর্তমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন সমস্যার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এ রুটে যাতায়াতে দীর্ঘ সময় লাগে এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ছে। জমি অধিগ্রহণসহ কিছু প্রশাসনিক জটিলতা থাকলেও দ্রুত উন্নয়ন কাজ শুরু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সড়ক উন্নয়ন কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে তিনি নগরীর চাঁদনীঘাট এলাকায় সুরমা নদীর দুই তীরে সৌন্দর্যবর্ধন ও বন্যা প্রতিরোধ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন এবং পরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দিনের সফর শেষ করেন।