
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে আবারও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। হোয়াইট হাউস-এর কাছাকাছি এলাকায় বন্দুকধারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলির লড়াইয়ে অন্তত দুইজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন সন্দেহভাজন হামলাকারী এবং একজন কিশোর।
সোমবার বিকেলে ন্যাশনাল মল এলাকায় এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ ঘোরাঘুরি করতে দেখে সাদা পোশাকের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় সে পালানোর চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায় সিক্রেট সার্ভিস সদস্যরা।
এই গোলাগুলিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়। একই সঙ্গে হামলাকারীর ছোড়া একটি গুলি কাছাকাছি থাকা এক কিশোরের গায়ে লাগে। তবে তার আঘাত গুরুতর নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পরপরই বিকেল ৩টা ৪১ মিনিটে হোয়াইট হাউসে জরুরি লকডাউন জারি করা হয়। উত্তর লনে থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও অল্প সময় পরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং ভেতরে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি চালিয়ে যান ডোনাল্ড ট্রাম্প, তবে তিনি ঘটনাটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে ওই এলাকা অতিক্রম করে যান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর গাড়িবহর। তবে এই হামলা তাকে লক্ষ্য করে ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৬ এপ্রিল ওয়াশিংটন হিলটন-এ অনুষ্ঠিত হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-এর নৈশভোজে অনুরূপ একটি নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে, যেখানে এক ব্যক্তি অস্ত্রসহ ভেতরে প্রবেশ করে গুলি চালায়।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে। বর্তমানে পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।