
মা—মাত্র একটি শব্দ, কিন্তু এর অনুভূতি ও গুরুত্ব সীমাহীন। ভালোবাসা, মমতা, ত্যাগ এবং নিঃস্বার্থ স্নেহের সবচেয়ে বড় প্রতীক হচ্ছেন মা। সন্তানের জীবনের প্রতিটি ধাপে যিনি নিরন্তর সাহস, নিরাপত্তা ও ভালোবাসার আশ্রয় হয়ে থাকেন, সেই মায়ের প্রতি সম্মান জানাতেই আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস।
প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ১০ মে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব মা দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি ঘিরে রয়েছে বিশেষ আয়োজন ও আবেগঘন মুহূর্ত।
মা দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র-এ। পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান শুধু জন্মদাত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। একজন আদর্শ শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং নির্ভরতার জায়গা হিসেবেও মায়ের ভূমিকা অনন্য। শিশুর প্রথম শিক্ষা, প্রথম ভালোবাসা এবং নিরাপত্তাবোধের সূচনা হয় মায়ের হাত ধরেই।
দিবসটি উপলক্ষে অনেকে ফুল, উপহার কিংবা শুভেচ্ছা বার্তার মাধ্যমে মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ, ছবি শেয়ার এবং আবেগঘন নানা পোস্ট। পরিবারগুলোতেও ছোট ছোট আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হচ্ছে।
তবে অনেকেই মনে করেন, মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের জন্য একটি নির্দিষ্ট দিনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন মায়ের প্রতি যত্ন, সম্মান এবং পাশে থাকাই হতে পারে সবচেয়ে বড় উপহার।