প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 1, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ May 16, 2026 ইং
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তি সই
জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
বাংলাদেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ক্রিস রাইট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস ওয়াশিংটন ডিসি।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ সমঝোতা স্মারককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই চুক্তির মাধ্যমে জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ, সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং সাপ্লাই চেইনের স্থিতিশীলতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে নতুন বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার পথও উন্মুক্ত হবে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ভূতাপীয় শক্তি এবং জৈবশক্তি খাতে জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়, গবেষণা এবং সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির ক্ষেত্রেও এ চুক্তি সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগের জন্য তারেক রহমান এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প-কে ধন্যবাদ জানান।
অন্যদিকে ক্রিস রাইট বলেন, এই সমঝোতা দুই দেশের জ্বালানি অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করবে এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয়-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।