
রাজধানীর পল্লবীতে নির্মমভাবে হত্যার শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তিনি মিরপুর-১১ নম্বরে রামিসাদের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এসময় উপস্থিত ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমদ, মো. আসাদুজ্জামান এবং আমিনুল হকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রামিসার বাবার হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ দায়িত্বভার গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে।
গত মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকার একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে শিশু রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটের বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের শুরুতে পুলিশ প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল রানা শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।