
পবিত্র হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা ‘আরাফা দিবস’-এ খুতবা শেষে আরাফার ময়দানে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেছেন লাখো হাজি। মঙ্গলবার (২৬ মে) সৌদি আরবে ৯ জিলহজ উপলক্ষে এই ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের হজের খুতবা প্রদান করেন শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের জন্য চলতি বছরও বাংলাসহ ৫০টি ভাষায় খুতবার অনুবাদ সম্প্রচার করা হয়। এর মাধ্যমে টানা সপ্তমবারের মতো বাংলা ভাষায় হজের খুতবার অনুবাদ প্রচারের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলো।
বাংলা অনুবাদ কার্যক্রমে অংশ নেন ড. মুহাম্মদ খলীলুর রহমান, ড. আ ফ ম ওয়াহিদুর রহমান, মুবিনুর রহমান ফারুক এবং নাজমুস সাকিব। তারা সবাই বিভিন্ন সময়ে মক্কার উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করেছেন।
আরবি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, ৯ জিলহজ ‘ইয়াওমে আরাফা’ বা আরাফা দিবস হিসেবে পরিচিত। এদিন আরাফার ঐতিহাসিক ময়দানজুড়ে হাজিরা ইবাদত, জিকির ও দোয়া-মোনাজাতে মগ্ন থাকেন। সকাল থেকেই তাদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় হজের বিখ্যাত তাওলিয়া—
“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান্নি‘মাতা লাকা ওয়ালমুলক, লা শারিকা লাক।”
সৌদি সময় সূর্যাস্তের পর হাজিরা পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার জন্য মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। এরপর ১০ জিলহজ পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে এবং শুরু হবে পবিত্র ঈদুল আজহার উদযাপন।
হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুসল্লিরা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে ধীরে ধীরে নিজ নিজ দেশে ফিরতে শুরু করবেন।