
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য জানান।
বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগকে বিশ্বশান্তির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে শহীদ হওয়া সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালে সুদানে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ হওয়া ছয় সেনাসদস্যের পরিবারের সদস্যদের হাতে বিশেষ সম্মাননা পদক তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন মিশনে আহত বাংলাদেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু মাতৃভূমির সুরক্ষাই নয়, বরং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও উঁচু করেছে।
তিনি জানান, ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুই লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩টি দেশের ৬৩টি মিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ জন শান্তিরক্ষী বিভিন্ন দেশে ১০টি মিশনে নিয়োজিত আছেন এবং শিগগিরই হাইতিতে নতুন মিশনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানান।