
ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের নতুন আসর। এবারের টুর্নামেন্টটি ইতিহাসের অন্যতম ব্যতিক্রমী আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ প্রথমবারের মতো তিনটি স্বাগতিক দেশ—মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা—আলাদাভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করছে। প্রতিটি অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হবে সংশ্লিষ্ট দেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সংগীতের বৈচিত্র্য।
বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়াম থেকে। উদ্বোধনী ম্যাচের আগে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, লোকসংগীত এবং নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের স্বাগত জানানো হবে। এরপর মাঠে নামবে স্বাগতিক মেক্সিকো, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফাই স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বিশ্বখ্যাত শিল্পী কেটি পেরি, ফিউচার, অনিতা, লিসা, রেমা এবং টাইলা। উদ্বোধনী আয়োজন শেষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি Gianni Infantino বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বিশ্বকাপের ব্যাপ্তি ও বৈশ্বিক আকর্ষণকে তুলে ধরবে। তার মতে, বিভিন্ন সংস্কৃতির শিল্পীদের অংশগ্রহণ মানুষের মধ্যে সংযোগ ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেবে।
তিন দেশের উদ্বোধনী আয়োজনের শেষ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে কানাডার টরন্টোতে। বিএমও ফিল্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন অ্যালানিস মরিসেট, আলেসিয়া কারা, এলিয়ানা, জেসি রেয়েজ, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সানজয়, ভেজিড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্স। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কানাডা তাদের প্রথম ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে মাঠে নামবে।
মেক্সিকো
যুক্তরাষ্ট্র
কানাডা
তিন দেশ, তিন সংস্কৃতি এবং এক বিশ্বমঞ্চ—এই অনন্য আয়োজনের মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মহোৎসব। বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে কোটি ভক্তের উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা।