
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তার মতে, সাম্প্রতিক আলোচনা শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেই নয়, আঞ্চলিক বিভিন্ন সংকট সমাধানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আরাঘচি জানান, পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় লেবানন যুদ্ধ অবসানের প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি আলোচনাকে গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, চলমান সংলাপের ফলে তেহরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রফতানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবরোধ শিথিল করার বিষয়েও অগ্রগতি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরাঘচির ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে আটকে থাকা ইরানের বাজেয়াপ্ত সম্পদের একটি অংশ অবমুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নের জন্য একটি বড় পরিকল্পনাও চালু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কূটনৈতিক সংলাপ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর ভূমিকারও প্রশংসা করেন ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং আঞ্চলিক সংকট নিরসনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলেও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তবে এসব অগ্রগতির বাস্তবায়ন এবং সম্ভাব্য চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।