
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে হতাশাজনক এক সফর শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজে কোনো ম্যাচ না জেতায় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়ার উপায় খুঁজতে বৈঠকে বসেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল।
তামিমের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন জাতীয় দলের পাঁচ সিনিয়র ক্রিকেটার। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচক প্যানেল ও টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্যরাও। আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, দলের দুর্বলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
বৈঠকে অংশ নেওয়া পাঁচ ক্রিকেটার হলেন লাল বলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সাদা বলের অধিনায়ক লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম।
তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচকেরা, টিম ম্যানেজার, কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ।
ত্রিদেশীয় সিরিজে ব্যর্থতার পর বৈঠকে ক্রিকেটারদের কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তবে আলোচনায় তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। বরং দলকে কীভাবে আরও ভালো অবস্থানে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে ক্রিকেটারদের মতামত জানতে চান তামিম। খেলোয়াড়েরাও নিজেদের ভাবনা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশের সামনে রয়েছে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজের পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে দলের। সেখানে দুই টেস্টের পাশাপাশি সাদা বলের দুটি সিরিজও রয়েছে।
আসন্ন টেস্ট সিরিজগুলো বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দল গঠন, প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি।
সাম্প্রতিক ব্যর্থতা কাটিয়ে আসন্ন সিরিজগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোই এখন বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।