
মালয়েশিয়ার পারমানেন্ট রেসিডেন্সি (পিআর) বা স্থায়ী বাসিন্দার অনুমতি নেয়ার মাধ্যমে বিদেশিরা দেশটিতে বসবাস, কাজ ও পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। যদিও এটি নাগরিকত্বের সমান নয়, তবু অস্থায়ী ভিসাধারীদের তুলনায় অনেক বেশি স্বাধীনতা ও সুবিধা দেয়।
রেসিডেন্স পাস হলো এমন একটি বিশেষ অনুমতিপত্র যা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়। এই পাস থাকলেই কেউ দীর্ঘ সময় মালয়েশিয়ায় বসবাস করতে পারবেন, স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
প্রধান ক্যাটাগরি:
১. মালয়েশিয়ার নাগরিকের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক (ক্যাটাগরি ৩)
মালয়েশিয়ার নাগরিকের স্বামী/স্ত্রী;
মালয়েশিয়ার নাগরিকের ১৮ বছরের কম বয়সী জৈবিক, সৎ বা দত্তক সন্তান;
মালয়েশিয়ার নাগরিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ বা মৃত্যুর পর যদি তাদের কোনো জৈবিক সন্তান মালয়েশিয়ার নাগরিক হয়;
মালয়েশিয়ার নাগরিকের শ্বশুর/শাশুড়ি, যারা বৈধ পাসধারী।
আরও পড়ুন: বৃষ্টির দিনে ফোন চার্জে দেয়ায় অসতর্কতা, ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা
২. মালয়েশিয়ার স্থায়ী বাসিন্দার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক (ক্যাটাগরি ৪)
মালয়েশিয়ার স্থায়ী বাসিন্দার ১৮ বছরের কম বয়সী সন্তান;
স্বামী/স্ত্রী।
৩. প্রাক্তন মালয়েশিয়ান নাগরিক (ক্যাটাগরি ৫)
যারা স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন;
যাদের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছ।
আবেদনের শর্তাবলি:
পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে;
মালয়েশিয়ায় বৈধ দীর্ঘমেয়াদি পাস থাকা বাধ্যতামূলক;
ক্যাটাগরি ৩-এর জন্য কমপক্ষে ৩ বছর, ক্যাটাগরি ৪-এর জন্য কমপক্ষে ৫ বছর মালয়েশিয়ায় বসবাস করতে হবে;
আবেদনটি অবশ্যই ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী একজন মালয়েশিয়ান নাগরিকের দ্বারা স্পনসর হতে হবে;
বিদেশি নথি মালয়েশিয়ার মিশন দ্বারা সত্যায়িত করতে হবে;
আবেদন ও নথি জমা দেয়ার সময় স্পনসর ও আবেদনকারী উভয়কেই উপস্থিত থাকতে হবে।
আবেদন ফি: রেসিডেন্স পাসের জন্য পাঁচ বছরের মেয়াদে ফি মাত্র ৫০০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪,৩৪৬ টাকা।