প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 16, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Aug 27, 2025 ইং
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বিতর্কে কেন নীরব মোদি?

ভারতের ইতিহাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো আর কোনো প্রধানমন্ত্রী এত বছর ধরে নিজের শিক্ষাগত সনদ নিয়ে নীরব থাকেননি। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ও গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেকর্ড প্রকাশ না করার বিষয়ে আদালতের রায় মোদিকে স্বস্তি দিলেও জনমনে সন্দেহ আরও বেড়েছে। বিশেষ করে মোদির বি.এ. ও এম.এ. ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে-যেখানে ইন্টায়ার পলিটিকেল সায়েন্স' নামে এক অচেনা বিষয় উল্লেখ আছে।
শুধু মোদি নন, বিজেপির অন্য নেত্রী স্মৃতি ইরানি থেকেও শুরু করে আরও অনেক রাজনীতিক ভুয়া বা অস্পষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতার অভিযোগে বিতর্কে পড়েছেন। আদালত বহু ক্ষেত্রে বলেছে যে ব্যক্তিগত শিক্ষাগত রেকর্ড প্রকাশে জনস্বার্থ নেই। কিন্তু লেখকের মতে, বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নয়, বরং জননৈতিকতার। সাধারণ মানুষ যেখানে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে নানা সনদ হাজির করতে বাধ্য, সেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজের ডিগ্রি নিয়ে এভাবে গোপনীয়তা বজায় রাখা নেতিবাচক বার্তা দেয়।
তিনি চাইলে নিজেই সনদ প্রকাশ করে স্বচ্ছতার উদাহরণ তৈরি করতে পারতেন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারতেন। অথচ তিনি উল্টো সরকারী আইনজীবীদের দিয়ে বিষয়টি চাপা রাখার চেষ্টা করেছেন।
খবর দ্য ওয়ারের।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ bddigitalnews24.com