
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রতিবেদনকে ত্রুটিপূর্ণ, খামখেয়ালি এবং আইনত অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে নিজেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একমাত্র বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
বুলবুল বলেছেন, এনএসসি কমিটির প্রতিবেদন ত্রুটিপূর্ণ এবং আইনি ভিত্তিহীন। নির্বাচিত পরিচালক পর্ষদ বিলুপ্ত করা এবং অ্যাডহক কমিটি গঠন করা একটি সাংবিধানিক অভ্যুত্থান। এই পদক্ষেপ আইসিসির নিয়মের লঙ্ঘন এবং বিসিবির স্বায়ত্তশাসনের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।
তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে অনুরোধ করেছেন, অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে অ্যাডহক কমিটির কার্যক্রম ও এনএসসি প্রতিবেদনের বৈধতা যাচাই করতে। বুলবুল বলেন, এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের ক্রিকেটকে অস্থিতিশীল করবে এবং নতুন ক্রিকেটারদের বিকাশ ব্যাহত করবে।
২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন যথাযথভাবে গঠনতন্ত্র মেনে হয়েছে। বুলবুল নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছড়ানো “ফিক্সিং” কাহিনীকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত এবং মিথ্যা দাবী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত বোর্ডের বৈধতা রক্ষা করা অপরিহার্য এবং সরকারী হস্তক্ষেপ কেবল অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটি আইনত অবৈধ। এটি আইসিসি বিধি লঙ্ঘন করেছে এবং বিসিবির স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত। বুলবুল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শেষে তিনি মোটা অক্ষরে লিখেছেন:
“হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত, আমি, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি।”