
মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সংঘাতের উত্তেজনা পুরোপুরি থামেনি। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে পরিস্থিতি এখনো অবিশ্রান্ত। ইরান একাধিকবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে এবং কঠোর জবাবের হুঙ্কার দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে পরমাণু শক্তিধর বিশ্ব মোড়ল চীন।
চীন তার আহ্বানে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির কাঠামো নিয়ে আলোচনায় জড়িত সকল পক্ষকে লক্ষ্য করেছে। বেইজিং চাইছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যত দ্রুত সম্ভব অঞ্চলটিকে স্থিতিশীল এবং শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফিরিয়ে আনুক।
এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এই শান্তির সুযোগটি কাজে লাগাবে এবং যত দ্রুত সম্ভব অঞ্চলটিকে স্থিতিশীলতায় ফিরিয়ে আনবে।’ তিনি আরও বলেন, চীন পরিস্থিতি প্রশমিত করতে এবং সংঘাতের সম্পূর্ণ অবসান ঘটাতে সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং সংবাদ সম্মেলনে আরও জানিয়েছেন যে বেইজিং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সকল কূটনৈতিক চেষ্টায় অবিচল থাকবে। চীনের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত কমাতে সহায়ক হতে পারে।
সংক্ষেপে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনার মধ্যেও চীন দ্রুত স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার জন্য সক্রিয় ভূমিকা নিতে চাইছে। বেইজিং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।