বিশ্বকাপ ২০২৬-এ নিজেদের স্বপ্নের যাত্রা অব্যাহত রেখেছে কেপ ভার্দে। গ্রুপ ‘এইচ’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে আফ্রিকার এই দল। স্পেনকে রুখে দেওয়ার পর এবার আরেক সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষেও পয়েন্ট আদায় করে টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হয়ে উঠেছে কেপ ভার্দে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে দেখা যায় কেপ ভার্দেকে। ২১তম মিনিটে দুর্দান্ত এক সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কেভিন পিনা। এই গোলটি শুধু ম্যাচেই এগিয়ে দেয়নি, বরং বিশ্বকাপের ইতিহাসে কেপ ভার্দের প্রথম গোল হিসেবেও নতুন রেকর্ড গড়েছে।
গোল হজমের পর আক্রমণের গতি বাড়ায় উরুগুয়ে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো ও আগুস্তিন কানোবিও গোল করে উরুগুয়েকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে আবারও ঘুরে দাঁড়ায় কেপ ভার্দে। ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হওয়ার পর উরুগুয়ের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতাসূচক গোল করেন হেলিও ভারেলা। এরপর ম্যাচের শেষ সময়ে উভয় দলই জয়ের জন্য আক্রমণ চালালেও আর কোনো গোল হয়নি।
এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘এইচ’-এ জমে উঠেছে পরবর্তী পর্বে ওঠার লড়াই। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে স্পেন। সমান ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে আছে উরুগুয়ে, আর কেপ ভার্দে অবস্থান করছে তৃতীয় স্থানে।
বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েই ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে ইতিবাচক ফল এনে নজর কেড়েছে কেপ ভার্দে। স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে এবারের টুর্নামেন্টে তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই।
এখন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোতে কেপ ভার্দের পারফরম্যান্সের দিকেই থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের বিশেষ নজর। কারণ ছোট্ট এই আফ্রিকান দলটি ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপের অন্যতম বড় বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে।
মন্তব্য করুন