অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ফেব্রুয়ারিতে অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে: ইইউ

ছবি: সংগৃহীত



ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকার বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মৌনির সাতুরি বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশকে অবশ্যই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে ।

তিনি বলেন, এ ধরনের নির্বাচনের ফলাফলকে সবাই সম্মান করতে হবে যা নির্বাচনের পর বাংলাদেশে স্থিতিশীলতার জন্য এটি অপরিহার্য শর্ত।

সম্প্রতি ঢাকায় সফরকালে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

মৌনির সাতুরি বলেন, ‘ক্ষমতা পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জনপরিসর ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্র ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।’

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট পরবর্তী নির্বাচিত সংসদের সঙ্গে কাজ করবে।’

মৌনির সাতুরির নেতৃত্বে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের মানবাধিকারবিষয়ক উপ-কমিটির একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফরে এসেছে। বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের আগে ইইউ অংশীদার দেশগুলোতে এ ধরনের তথ্য অনুসন্ধান মিশন পাঠিয়ে থাকে।

প্রতিনিধিদলে আরও আছেন- ইসাবেল উইসেলার-লিমা (ইপিপি, লুক্সেমবার্গ), আরকাদিউস মুলারচিক (ইসিআর, পোল্যান্ড), উরমাস পায়েত (রিনিউ ইউরোপ, এস্তোনিয়া) এবং ক্যাটারিনা ভিয়েরা (গ্রিনস/ইএফএ, নেদারল্যান্ডস)।

বাংলাদেশকে এই মুহূর্তে বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে সাতৌরি বলেন, দেশটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে এবং একই সঙ্গে ইইউ বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা গভীর করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এর মধ্যে পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (পিসিএ) আলোচনাও অন্তর্ভুক্ত।

সাতৌরি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ইইউ যখনই কোনো তৃতীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন আমরা মানবাধিকার পরিস্থিতি, আইনের শাসন এবং মৌলিক স্বাধীনতার বিষয়গুলোও পর্যালোচনা করি। কারণ, এগুলো যেকোনো ইইউ চুক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণের প্রসঙ্গে সাতৌরি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যা দৃশ্যমান প্রভাব ফেলছে। তবে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটি এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত গৃহীত সংস্কারগুলো যদি ব্যাপক সমর্থন পায় এবং নির্বাচিত সংসদ সেগুলো বাস্তবায়ন করে, তাহলে সর্বোত্তম পরিবেশে এ উত্তরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, ট্রেড ইউনিয়ন, নিয়োগকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে।ঢাকায় সফরকালে প্রতিনিধিদলটি বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এবং বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করে।

সাতৌরি বলেন, সমৃদ্ধি ও মানবাধিকার প্রতিশ্রুতির মধ্যে ভারসাম্য আনার উদ্দেশ্যে পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্ট (পিসিএ) নিয়ে আলোচনা চলছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

1

টানা পাঁচ ম্যাচ উইকেটশূন্য বুমরাহ

2

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় দুঃসংবাদ

3

আজ থেকে ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্ক কার্যকর

4

টাঙ্গাইলে কৃষক সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

5

মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় এবার ফিলিস্তিনি মডেল

6

ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে জানলেন তিনি ‘মৃত’

7

১৪ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদকে হারাল বায়ার্ন মিউনিখ

8

ডিএমপিতে বড় রদবদল : ৫ এডিসিকে বদলি

9

এয়ার চায়নার ৪টি ফ্লাইট বাতিল

10

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৩২, সর্বোচ্চ প্রাণহানি মোটরসাইকেল

11

নেপালে জেন জি বিক্ষোভে নিহত ১৯

12

বিশ্বকাপ নিয়ে রিভালদোর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন নেইমার

13

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় উপসাগরীয় দেশগুলো

14

বিশ্বনাথে সড়কের পাশে পড়েছিল নবজাতক

15

নোয়াখালীতে কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

16

গরমের দিনে পান্তা ভাতে রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা

17

আরো ২০ দিনের তেলের মজুত ছাড়বে জাপান

18

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আমাদের তারুণ্য

19

পতিত স্বৈরাচার হাসিনাকে “স্বপ্ন পূরণের কারিগর” হিসেবে উপস্থা

20