অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:২০ এএম
অনলাইন সংস্করণ

নিউইয়র্কে আখতার-জারার ওপর হামলার ঘটনায় এনসিপির জরুরি বিবৃতি

ছবি: সংগৃহীত



যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর হামলা ও  দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারাকে হেনস্তার ঘটনায় জরুরি বিবৃতি দিয়েছে এনসিপি।

মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দলটির ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স এ বিবৃতি দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, আমরা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, সরকারি আমন্ত্রণে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে যুক্তরাষ্ট সফরে অংশগ্রহণকারী জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা আখতার হোসেন ও তাসনিম জারার ওপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সমর্থক সন্ত্রাসীরা ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনা শুধু রাজনৈতিক সহিংসতার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং রাষ্ট্রের কূটনৈতিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতার উদাহরণ।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা প্রশ্ন রাখছি—যদি সরকারি সফরের অংশগ্রহণকারীরা ন্যূনতম নিরাপত্তা না পান, তবে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি কনস্যুলেট ও দূতাবাসগুলোর অস্তিত্বের যৌক্তিকতা কোথায়? তারা কাদের স্বার্থে কাজ করছে, আর কেন এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না?

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় সফররত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদানে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে এই বিষয়ে অবিলম্বে দৃঢ় পদক্ষেপের দাবি জানাই।

বিবৃতিতে এনসিপির পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়েছে। এগুলো হলো: ১. বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার এবং নিউ-ইয়র্ক শহরের সরকার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সরাসরি অভিযোগ করতে হবে ২. নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল সহ সম্পূর্ণ ফরেন সার্ভিস টিমকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুত করতে হবে। ৩. সফরের পরবর্তী অংশের জন্য প্রত্যেক সফররত নেতাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আখতার হোসেন ও তাসনিম জারার সাথে এই হামলার সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরাও ছিলেন এবং তারাও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তোপের মুখে পড়েন, কিন্ত এই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে মূলত এনসিপি নেতৃবৃন্দকে। জুলাই বিপ্লবের সময় যারা জীবনবাজি রেখে লড়েছিলেন, তাদের প্রতি প্রতিশোধপরায়ণ হামলাকারীদের ক্ষোভ আজও থামেনি। আখতার হোসেনকে খুনী হাসিনা সরকার জুলাইতে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন চালায়। যিনি গণআন্দোলনের জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছিলেন, আজও সেই সংগ্রামের মূল্য দিতে হচ্ছে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা।

এতে বলা হয়, আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি—বিদেশি মাটিতে আওয়ামী লীগের এধরণের সন্ত্রাসী হামলা শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্যও হুমকিস্বরূপ। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছি।






মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন

1

কিউবা দখল নিয়ে রসিক মন্তব্যে নতুন বিতর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প

2

ঈদে মাংসের ভিন্ন স্বাদের ৪ রেসিপি জেনে নিন

3

আবারও পোশাক নিয়ে প্রশ্নের মুখে জেলেনস্কি, প্রতিক্রিয়ায় যা বল

4

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলন

5

এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, কাফি ও রনি

6

বিশ্ব রাজনীতিতে চীন-রাশিয়া সম্পর্ক স্থিতিশীলতার প্রতীক : পুত

7

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন আলোচনায় বসতে ৫ শর্ত দিলো ইরান

8

ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ১৪ বছর

9

পেনশন স্কিমে নতুন দিকনির্দেশনা দিলেন অর্থমন্ত্রী

10

ইসরাইলের নতুন আমদানি কড়াকড়িতে গাজায় তীব্র খাদ্য সংকট

11

যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে ইসরাইলি হামলা নিহত ৪১

12

কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা নিষিদ্ধ

13

এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান তথ্য প্রতিমন

14

কলকাতায় পৌঁছেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও

15

পানির নিচ থেকে ধান তোলার চেষ্টা

16

ইরানে গুপ্তচরসহ ২৪০ জনকে গ্রেপ্তার

17

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈশাখী আয়োজন বর্জনের ঘোষণা চারুকলার

18

বর্ণবাদী মন্তব্য ঘিরে বিতর্কে ট্রাম্প

19

গোপন সামরিক তথ্য ফাঁস

20