অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ট্রাম্পের সঙ্গে ইলন মাস্কের সম্পর্ক এখন যেমন

ছবি: সংগৃহীত


প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঠিক পাশে ইলন মাস্ককে বসতে দেখা গেছে। ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ চার্লি কার্কের স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভায় দর্শকসারিতে এই ঘটনা ঘটে। 
 
এক পর্যায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন করেন ইলন মাস্ক। ভিডিওতে তাদেরকে একে অপরের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়।

গত জুন মাসে ট্রাম্প-মাস্ক দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসার পর এই প্রথমবার দুইজনকে একসঙ্গে দেখা গেল। আর সে কারণেই এই ঘটনা নিয়ে বেশ জল্পনা চলছে। দুইজনের আলোচনার যেসব ভিডিও দেখা গেছে, সেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে একাধিকবার ইলন মাস্কের পায়ে বন্ধুত্বসুলভভাবে চাপড় দিতে দেখা গেছে।

এক্সে হোয়াইট হাউজের অ্যাকাউন্ট থেকেও দুইজনের একসঙ্গে বসে থাকার ছবি শেয়ার করা হয়। ছবির ক্যাপশন ছিল: 'ফর চার্লি' অর্থাৎ চার্লির জন্য। ইলন মাস্ক আবার তার এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে হোয়াইট হাউজের পোস্ট করা সেই ছবিটি রিপোস্টও করেছেন।

রক্ষণশীল চার্লি কার্কের স্মরণে আয়োজিত সভায় রক্ষণশীল রাজনীতিবিদ ডোনাল্ড ট্রাম্প আর একই ধরনের মতবাদে বিশ্বাসী ইলন মাস্কের দেখা হওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণই মনে করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।

সর্বশেষ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণার জন্য প্রায় ৩০ কোটি ডলার খরচ করেছিলেন ইলন মাস্ক। নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি চাকরি থেকে কর্মী ছাঁটাই সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত বিভাগের দায়িত্বও পান মাস্ক। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে মাস্কের বিরোধ সামনে আসতে শুরু করে মে মাসের শেষদিকে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কর ও ব্যয় নীতির সমালোচনা করে বক্তব্য দেন।

পরের কয়েকদিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে ধারাবাহিকভাবে পোস্ট করতে থাকেন এক্সে। ট্রাম্পকে 'অকৃতজ্ঞ' বলে তার এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্টও করেন ট্রাম্প। ট্রাম্পও জুনের প্রথম সপ্তাহে বলেন যে ইলন মাস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ক 'শেষ' হয়ে গেছে। এরপর তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে তিনি এ সম্পর্ক আবার জোড়া লাগাতে চান কি-না তখন তিনি বলেন 'না'।

তখন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স সহ রিপাবলিকানদের একটা বড় অংশ ইলন মাস্ককে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। ভ্যান্স এক পডকাস্টে বলেছিলেন, ইলন মাস্ক বেশি উত্তেজিত হয়ে গেছেন এবং সম্ভবত ফিরে আসার জন্য তাকে আর কখনোই স্বাগত জানানো হবে না।

এর কিছুদিন পর জুলাইয়ে মাস্ক 'আমেরিকা পার্টি' নামে নতুন রাজনৈতিক দল চালু করারও ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেই পার্টি তৈরির কার্যক্রমে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এসব ঘটনার পর 'ট্রাম্প-মাস্ক ব্রোমান্স' বা ট্রাম্প ও মাস্কের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হলেও রোববার রাতের ঘটনার পর সেই সমীকরণ নিয়ে নতুন করে চিন্তা করার সময় এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


সূত্র : বিবিসি



 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নতুন সরকারের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

1

টোকিওতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

2

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

3

বিচার চাই না জবাব চাই, আমার ছেলে কী অন্যায় করেছে: অপ্রতীমের

4

হাসনাত ও মোশাররফের পাশে থাকার ঘোষণা তাসনিম জারার

5

হোয়াইট হাউসের প্রতি ‘মোহ’ ছিল বন্দুকধারীর: ট্রাম্প

6

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ দলিল প্রকাশ, কী আছে এতে

7

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

8

বিশ্বকাপের দুই মাস আগে সৌদি কোচ হার্ভে রেনার্ড বরখাস্ত

9

চুক্তি না মানলে আরো ভয়াবহ হামলা শুরু হবে : ট্রাম্প

10

১৩ মে চীন সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প

11

দুবাইয়ের গালা ইভেন্ট মাতাবেন নুসরাত ফারিয়া

12

চার দিনে সৌদিগামী ৮৯ ফ্লাইট বাতিল

13

খালি পেটে যে অভ্যাসগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো

14

বিয়ে নিবন্ধনে ডিজিটাল জন্মসনদ বাধ্যতামূলক হচ্ছে

15

রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মামলা

16

হতাশ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, বললেন ‘এটা মেনে নেওয়া কঠিন’

17

নতুন ঠিকানায় নাম লেখালেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড স্যাভিনিয়ো

18

‘বয়সটা একটু থামিয়ে রেখেছি’, বললেন কেয়া পায়েল

19

মার্কিন পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে ট্রাম্পের ছবি

20