প্রকাশ :
মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০২:৩০ এএম |অনলাইন সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, পরমাণু অস্ত্রের বিস্তার, আধুনিকীকরণ এবং নীতি-প্রণয়নকে কেন্দ্র করে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলো যেন এক ধরনের পারমাণবিক শীতল যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতের যে কোনো বড় যুদ্ধ পরমাণু অস্ত্রের লড়াই হয়ে উঠবে।
হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালে প্রলয়ঙ্করী পরমাণু বোমার ধ্বংসযজ্ঞ এখনো বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হয়। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ নগরীগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, যেখানে প্রাণ হারান কয়েক লাখ মানুষ। তবে বর্তমানের পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসক্ষমতা সেই সময়ের তুলনায় কয়েকশ গুণ বেশি, যা পুরো মানবসভ্যতাকেই এক মুহূর্তে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে।
রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এমন বোমা তৈরি করেছে, যা লিটল বয়-এর ধ্বংসযজ্ঞকেও তুচ্ছ করে দেবে। এই ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বিভিন্ন দেশে মানুষ ব্যক্তিগত পারমাণবিক আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করছে। শীর্ষ রাজনীতিক থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা এখন এক ধরনের উদ্বেগের মধ্যে—তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি মানবসভ্যতার শেষ পরিণতি হতে চলেছে?
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যার নিয়ন্ত্রণ কেবল ৯টি দেশের হাতে। যদিও সামরিকভাবে এগুলো ব্যবহার করা হয়েছে মাত্র দুবার, তবে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এসব বিস্ফোরণ শুধু শক্তি যাচাই নয়, বরং রাজনৈতিক ও কৌশলগত শক্তির প্রদর্শন হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বে মানুষের বসতির মাত্র ১২.৫ শতাংশ অঞ্চল, যা প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার। এই অঞ্চলে বসবাসরত কোটি কোটি মানুষ একটি পরমাণু সংঘাতের প্রভাবে মুহূর্তের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, হিরোশিমার ‘লিটল বয়’ বোমার তুলনায় বর্তমানে থাকা অত্যাধুনিক বোমাগুলোর ধ্বংসক্ষমতা অনেক গুণ বেশি।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর সিইও’র সাক্ষাৎ
1
মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী
2
লালমনিরহাটে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার
3
জ্বালানি তেলের সংকট দীর্ঘ হতে পারে বাংলাদেশে
4
হামলায় আহত ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খারাজি মারা গেছেন