শুরুটা ছিল হতাশার, শেষটা উৎসবের। শেষ ষোলোয় মিসরের বিপক্ষে প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-২ গোলে। নব্বই মিনিটের পথে পথে বেশ কিছু আক্ষেপ ও অনুপ্রেরণার রেকর্ডে নাম লিখিয়েছে আর্জেন্টিনা ও মেসি।...…
দুই গোলে এগিয়ে যাওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে হার—বিষয়টা হজম করতে কষ্ট হবে যে কারও। মিসর কোচ হোসাম হাসানেরও কষ্ট হচ্ছে। তবে এমন হারের পেছনে পরোক্ষে ফিফা ও রেফারিকে দায়ী মনে করছেন তিনি।...…
মিশরের বিপক্ষে রাউন্ড ষোলর ম্যাচের শেষ দিকে মাত্র ১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ব্যবধানে তিন গোল করেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচটিতে তারা প্রথমে ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল। কিন্তু এরপর শেষ মুহূর্তে ‘ঝড়ো গতিতে’ তিন গোল দিয়ে আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়।...…
এমন স্নায়ু চাপে এর আগের দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালেও মেসি ছিলেন কি না সন্দেহ। আগের ম্যাচে কেপ ভার্দেও বেশ পরীক্ষা নিয়েছিল আর্জেন্টিনার। অনেক কঠিন একটি ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোয় উঠেছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।...…
কটা ম্যাচ বদলে যেতে কত সময় লাগে? কত সময়ের মধ্যে গল্প হঠাৎ নিজের স্ক্রিপ্ট ছিঁড়ে নতুন কাহিনি লিখে ফেলে? এই ম্যাচে সেই উত্তর—১৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ড। ঘড়িতে তখন ম্যাচের ৭৯ মিনিট। স্কোরবোর্ডে মিসর ২, আর্জেন্টিনা ০। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা তখন বিদায়ের দরজায় দাঁড়িয়ে, কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপের এক নিষ্ঠুরতম ...…