প্রকাশ :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম |অনলাইন সংস্করণ
ছবি: সংগৃহীত।
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার (১ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এই মামলার কার্যক্রম শুরু হয়।
এদিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ১১টার দিকে বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তাদের হাজির করা হয়।
শুনানির সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের সামনে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন। তিনি আংশিকভাবে ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করলেও হত্যার দায় অন্য একজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করেন। তিনি “ডলার” নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করে দাবি করেন, ওই ব্যক্তি শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, মিরপুর-১১ এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তাকে অর্থ প্রদান করা হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এ ঘটনায় কোনোভাবেই জড়িত নন।
আদালত ও গণমাধ্যমের সামনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ডিএনএ পরীক্ষা যথাযথভাবে না করেই রিপোর্টে ফলাফল যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার জন্য তিনি একা দায়ী নন এবং অন্য একজনকে দায়ী করেন, যাকে তিনি দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
শুনানি শেষে আদালত আগামী ২ জুন থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করার দিন নির্ধারণ করেন।
এর আগে সকালে প্রিজন ভ্যানে করে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয় এবং তাদের আলাদা হাজতখানায় রাখা হয়। পরে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই বাসার দুই বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে সোহেলের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথাও উল্লেখ রয়েছে।
মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষী রয়েছেন, যার মধ্যে শিশুটির বাবা এবং স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
মন্তব্য করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
তরমুজের খোসা-বীজেও মিলবে উপকার
1
ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় এগোচ্ছে ইউরো
2
আজ ৩,০০০ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা
3
একুশে ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত আতাউর রহমানের দাফন আজ