অভিনেত্রী ও সংগীতশিল্পী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শোয়ে হাজির হয়ে নিজের ব্যক্তিজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
এ সময় নিজের উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্বাচনের পেছনে থাকা অজানা গল্প জানান এ অভিনেত্রী।মিথিলা রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন।
তবে এই বিষয় নির্বাচনের সিদ্ধান্তটি তার জন্য খানিকটা আকস্মিক ছিল। ছোটবেলায় মায়ের হাত ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে যাওয়া-আসার স্মৃতিই পরবর্তীতে তার উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলে।
মিথিলা জানান, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি সম্পন্ন করেছেন। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ক্ষেত্রে পারিবারিক আর্থিক বিষয় বিবেচনা করে সরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার জন্য সিদ্ধান্ত নেন।
তিনি বলেন, আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়ালেখা করেছি। অনার্স ও মাস্টার্স দুটোই।
এ অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, আমার ধারণা, ওই জায়গাটার প্রতি অবচেতন মনে আমার মধ্যে ভালোবাসা ছিল। সেখান থেকে ভাবলাম যে, না ঠিক আছে, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব। আর যদি পড়ি তাহলে কলাভবনেই পড়ব। অন্য কোনো ডিপার্টমেন্টে পড়ব না।
মিথিলা বলেন, বিজ্ঞান বিভাগ মানে গণিত, পদার্থ, রসায়ন- এসব বিষয়ে পড়ালেখা করে অভ্যাস আমার। তো কলাভবন যাওয়ার পর আমাকে বিভিন্ন বিষয় বলা হচ্ছিল, পলিটিক্যাল সায়েন্স, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ, ইকোনমিক্স; কিন্তু আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।
পরিবারের মধ্যে কেবল মিথিলাই ছিলেন প্রথম প্রজন্মের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। এ কারণে কোন বিষয় বেছে নেওয়া উচিত, সেই ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়ার মতো অভিজ্ঞ কেউ ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভর্তি সাক্ষাৎকারে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিতে বলা হলে সেটিই নেন এ অভিনেত্রী।
মিথিলার কথায়, ইন্টারভিউয়ের সময় আমাকে বলল, ‘তুমি রাষ্ট্রবিজ্ঞান না?’ আমি বললাম, ঠিক আছে। কারণ, এর মধ্যে তো বিজ্ঞান আছে। সেভাবে কিছু জেনে-বুঝে সাবজেক্ট নির্বাচন করতে পারিনি আসলে।