রাশিয়া ও চীনের যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সামরিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে সাম্প্রতিক ছয় মাসে ইরান ও ভেনিজুয়েলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া পদক্ষেপের পরোক্ষ ইঙ্গিত রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক যৌথ অবস্থানে বলেন, কিছু দেশ অন্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতাপূর্ণ সামরিক হামলা চালাচ্ছে। এছাড়া আলোচনার আড়ালে সামরিক প্রস্তুতি, সার্বভৌম দেশের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা বা অপসারণের চেষ্টা, এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির মতো কর্মকাণ্ডেরও নিন্দা জানানো হয়।
তাদের মতে, এসব কর্মকাণ্ড জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা, আন্তর্জাতিক আইন এবং বৈশ্বিক সম্পর্কের মৌলিক নীতির গুরুতর লঙ্ঘন। এর ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে বলেও মন্তব্য করা হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন ও রাশিয়া নিজেদের একটি বিকল্প আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সমর্থক হিসেবে উপস্থাপন করতে চাইছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের সময় বৈশ্বিক কূটনৈতিক ভারসাম্য আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
চীন ও রাশিয়ার এই যৌথ অবস্থান বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
মন্তব্য করুন