ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আগস্টে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা ইসির

ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইন ও বিধিমালা সংস্কারের কাজ শেষ করে আগামী আগস্টে ধাপভিত্তিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থাটির। কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে অথবা অক্টোবর মাস থেকে বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে।

ইসি সূত্র জানায়, জুন ও জুলাই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে ভোটযজ্ঞ শুরু হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরে ভোট আয়োজন করতে হলে আগস্টেই তফসিল ঘোষণা করতে হবে। সাধারণত ভোটের এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল প্রকাশ করা হয়। তবে বর্ষা মৌসুমের পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার সময়সূচি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন, আচরণবিধি, নির্বাচন পরিচালনা বিধি এবং ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা সংস্কারের কাজ চলছে। এসব খসড়া শিগগিরই কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং অংশীজনদের মতামতের জন্য নির্দিষ্ট সময় উন্মুক্ত রাখা হবে। মতামত সংগ্রহ শেষে জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভেটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জামের বর্তমান মজুদ ও অতিরিক্ত চাহিদা যাচাই করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

কমিশনের বিবেচনায় পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার চিন্তা রয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদের নির্বাচন কোন ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা এবং বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রস্তাবিত সংস্কার নিয়ে আগামী ১৫ জুনের মধ্যে খসড়া আইন ও বিধিমালা প্রকাশ করা হবে। এরপর ১৫ থেকে ২০ দিন নাগরিক ও অংশীজনদের মতামত গ্রহণ করা হবে। জুনের মধ্যেই সংস্কার কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমানে দেশের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা এবং ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচনের উপযোগী অবস্থায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও এখনও স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা হয়নি। এবার দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জ্বালানি তেল নিয়ে নাটক করলো সরকার

1

রাশিয়ায় কয়লা খনি ধসে ৮ শ্রমিক নিহত

2

যশোর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

3

অস্ট্রেলিয়ার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে বনলতা সেন

4

সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পর

5

লাইফলাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহারে চিঠি

6

বন্ধ কারখানা সচল করতে বিশেষ তহবিল হচ্ছে

7

নাম সরাতে কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল: সাক্ষাৎকারে সাকিব

8

বাবার ‘প্রতারণায়’ দেউলিয়ার পথে ব্রাজিল তারকা রাফিনিয়া

9

৪ মে থেকে শুরু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ২০২৬

10

আজ শুরু জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন

11

অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনা

12

মাথা নত করে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপান কোচ

13

হজ পালনে গিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু

14

১২ দিনেই বিশ্বকাপের টিকিটের জন্য দেড় কোটি আবেদন, যেভাবে করবে

15

প্রথম ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন নেইমার

16

হালান্ডের সঙ্গে তুলনায় নারাজ হ্যারি কেইন

17

সরকারি সফরে চীন গেলেন সেনাপ্রধান

18

বৈভব সূর্যবংশীকে ঘিরে ক্রিকেট বিশ্বের নতুন উন্মাদনা

19

রামিসা হত্যা মামলার রায়ে সন্তুষ্ট বাবা

20