অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিফা প্রেসিডেন্টকে নির্বাচনে জেতাতে ‘গোপন’ চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত



২০২৬ বিশ্বকাপে মাঠের খেলার পাশাপাশি আলোচনার বড় অংশজুড়েই রয়েছে মাঠের বাইরের নানা বিতর্ক। রেফারিং, শাস্তি প্রত্যাহার, রাজনৈতিক প্রভাব সবকিছু মিলিয়ে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং এর সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে সমালোচনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যেই নতুন একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ দাবি করেছে, ২০২৭ সালের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে আবারও র্নির্বাচিত করতে গোপনে সমর্থন জোগাড়ের একটি পরিকল্পনায় যুক্ত ছিল ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ইনফান্তিনোর পরবর্তী মেয়াদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রভাবশালী ফুটবল দেশের সমর্থন চাওয়া হয়েছিল। ফিফার পক্ষ থেকে অত্যন্ত সতর্ক ও নীরব কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সমর্থন আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।

টেলিগ্রাফের সূত্র বলছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সেই অনুরোধে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিল ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এমনকি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর ইনফান্তিনোর পক্ষে আনুষ্ঠানিক সমর্থনপত্র পাঠানোর প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছিল তারা। তবে ফিফা সভাপতি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কারণে সেই সমর্থনপত্র আদৌ পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি এফএ।

এই নীরব অবস্থানের কারণে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছে ইংল্যান্ডের ফুটবল প্রশাসন। এফএর সাবেক চেয়ারম্যান ডেভিড বার্নস্টেইনসহ ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রকাশ্যেই ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবি করেছেন।

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, ইনফান্তিনোর সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে চায় না এফএ। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ। আগামী নভেম্বরে ২০৩১ নারী বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে ইংল্যান্ডের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পুরুষদের বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়েও থাকতে চায় দেশটি। সেই প্রেক্ষাপটে ফিফা সভাপতির সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

২০১৬ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর টানা এক দশক ধরে ফিফার শীর্ষ পদে আছেন ইনফান্তিনো। ২০১৯ ও ২০২৩ সালের নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। ২০২৭ সালের নির্বাচনেও তার বিরুদ্ধে শক্ত কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়াবে কি না, তা নিয়েই সংশয় রয়েছে।

এর বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে তার চালু করা ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচিকে। এই প্রকল্পের আওতায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন করা হয়েছে। ফলে ফিফার সদস্য দেশগুলোর অনেক ফুটবল ফেডারেশনের আয় ও অবকাঠামোগত সুবিধা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘অ্যাসিডিটি’ ভেবে ভুল নয়, হার্ট অ্যাটাকের এই লক্ষণগুলো চিনুন

1

শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ বিতর্কে কেন নীরব মোদি?

2

স্ত্রীর পরকীয়া ধরতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন

3

মার্কিন উদ্যোগে লেবানন–ইসরাইল বৈঠকের আহ্বান

4

দলীয় নেতাদের সঙ্গে আজ মতবিনিময়ে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহ

5

বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনায় সন্তানদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে হাইকো

6

নাতি থিয়াগোর জন্য একটি ছোট গোল্ডেন বুট কিনেন হোর্হে মেসি

7

বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে যা বললেন দীপ্তি

8

আলোচিত চিকিৎসক দম্পতি সুষমা রেজা ও কুশালের বিবাহবিচ্ছেদ

9

আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সমালোচনার মুখে কড়া জবাব দিলেন মেসির স্ত্র

10

গ্রেফতারের অতীত ঘিরে নতুন বিতর্কে কাশ প্যাটেল

11

ইরানি হামলার পর কুয়েত বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত

12

এসএসসি-২০২৬ খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের অনাগ্রহ

13

বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে স্পেনের তিন, আর্জেন্টিনার দুই, ব্

14

হতাশ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, বললেন ‘এটা মেনে নেওয়া কঠিন’

15

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা এখনও দূরে

16

৩২ মিনিটে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়লেন ফ

17

‘উড়িয়ে দেব পুরো ইরান’ : ট্রাম্প

18

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

19

ভাগ্য আমাদের পক্ষে ছিল, এম্বোলোর লাল কার্ডে সুবিধা পেয়েছে আর

20