অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিফার ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নরওয়ের কোচ

ছবি: সংগৃহীত



কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড বনাম নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচ শেষ হলেও বিতর্ক এখনো থামেনি। জুড বেলিংহামের প্রথম গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে ইতোমধ্যেই ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা)

তবে ফিফার ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নরওয়ের কোচ স্টেল সোলবাকেন। ম্যাচ শেষে তিনি দাবি করেন, বল স্পাইডারক্যামেরার কেবলে লেগেছিল এবং মাঠে উপস্থিত সবাই বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখেছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত মূলত ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোলটি নিয়ে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নরওয়ে গোলরক্ষক ওরইয়ান নিলান্ডের নেওয়া উড়ন্ত গোলকিক হঠাৎ দিক পরিবর্তন করে ইংলিশ মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছে চলে যায়। সেই বিল্ড-আপ থেকেই জুড বেলিংহাম গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান।

গোলের পরই নরওয়ের খেলোয়াড়রা ফরাসি রেফারির কাছে বল স্পাইডারক্যামেরার কেবলে লেগেছিল বলে অভিযোগ জানিয়ে গোল বাতিলের দাবি তোলেন। তবে রেফারি গোল বহাল রাখেন। আর তাতে ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। তবে শেষ পর্যন্ত নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধের বিরতিতে রেফারির সাথে কথা বলেন নরওয়ের কোচ। তিনি বলেন, ‘রেফারি বলেছেন তিনি নিজে কিছু দেখেননি। এমন কিছু ঘটেছে সে সংক্রান্ত কোনো বার্তাও পাননি। যেহেতু ফিফা বলেছে বল কেবলে স্পর্শ করেনি, সেক্ষেত্রে তার এখানে কিছু করার নেই। কিন্তু আমরা যারা বেঞ্চে বসা ছিলাম, আমাদের সবার চোখের সামনেই বলটা পড়েছে। সবাই দেখেছে কী ঘটেছে। আমার মনে হয় বল কেবলে লেগেছে এটা স্পষ্টভাবে বোঝা গেছে।’

নরওয়ের কোচ স্টেল সোলবাকেন বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক ছিল। এমন অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের মধ্যেও কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই। ম্যাচ তো আর নতুন করে খেলা হবে না। তাই যা হয়েছে সেটাই মেনে নিতে হবে’

নরওয়ে কোচ আরও বলেন, ‘আমি চাইলে এখানে বসে কান্নাকাটি করতে পারি। কিন্তু আমি তা করব না। আমাদের পক্ষে যা যা করা সম্ভব ছিল সব করেছি। খেলোয়াড়েরা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ খেলেছে। হ্যাঁ, সিদ্ধান্তটা অদ্ভুত। কিন্তু এটা খেলারই অংশ। আমাদের এটা মেনে নিতে হবে।’

নিয়মানুসারে বল তারে লাগলে খেলা থামিয়ে দেওয়ার কথা রেফারির। তবে ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডের গোলের আগে বাতাসে থাকা অবস্থায় বলের ভেতরের সেন্সরে (কানেক্টেড বল টেকনোলজি) অস্বাভাবিক কোনো কম্পন বা ‘হার্টবিট’ ধরা পড়েনি। তাই বলটি ওপরের তারে লেগেছিল বা এর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল-এমন কোনো প্রমাণ নেই।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে বিশ্ব অর্থনীতির জয়গান

1

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

2

দেনার চাপের মধ্যেও বাড়ছে বিমানের বেতন-ভাতা

3

মেসির অবসর ঘোষণার পর আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আবেগঘন

4

আজ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু

5

৯ ম্যাচে ৩৮ গোল মেসির, প্রতিপক্ষ কারা?

6

'ইরানের হামলায়' নিহত নারী যোদ্ধা কনিষ্ঠ কুর্দি

7

ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় এগোচ্ছে ইউরো

8

ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে কে জিতবে? জানালো হাঙর

9

এমআরটি প্রকল্পের ধীরগতিতে চরম ভোগান্তি

10

জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধান

11

মায়ের মৃত্যুতে বিশ্বকাপ ছেড়ে দেশে ফিরছেন ফ্রান্স কোচ

12

দেশে আমার ভাস্কর্য বানানো উচিত: কুরাসাও গোলকিপার

13

বিয়ের সাজে অপু বিশ্বাস, ফেসবুক পোস্টে নতুন আলোচনা

14

কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানার ৭৫তম জন্মদিন আজ

15

জরুরি বৈঠকে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা

16

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

17

এক বছরের মহাকাশ মিশনে নভোচারী পাঠাল চীন

18

যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৬ কিমি যানজট

19

গোল নয়, বিশ্বকাপ জিততেই চান এমবাপ্পে

20