সৌদি আরবে সাতটি হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী। এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি জানায়, তাদের অভিযানের লক্ষ্য ছিল দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটি।
হুতিদের দাবি অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল সৌদি রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দর, ইয়ানবুতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা, রাবিগ তেল শোধনাগার এবং পূর্ব থেকে পশ্চিমে অপরিশোধিত তেল পরিবহনের পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশন।
এ ছাড়া দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, নাজরান বিমানবন্দর এবং খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি। পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশন লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযান সফল হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
তবে হুতিদের এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।
এদিকে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই অঞ্চলে সিভিল ডিফেন্সের দল কাজ করেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনুমোদিত জরুরি ব্যবস্থাও বাস্তবায়ন করা হয়।
সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি প্রতিহত করার পর সেগুলোর কিছু অংশ মক্কার ওয়াদি আল মুগাম্মাস এলাকায় পড়ে। এ ছাড়া ধ্বংসাবশেষের খণ্ড জেদ্দার আল নুজহা এলাকা, তায়েফের ওয়াদি জলিল এবং রাবিগের মাস্তুরাহ এলাকায় গিয়ে পড়ে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতি গোষ্ঠী। তাদের দাবি, অভিযান পরিচালিত হয়েছে সৌদি আরবের তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে।
এতে সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের তথ্য এবং হুতিদের অভিযানের লক্ষ্য সম্পর্কে বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
সৌদি আরবে হামলার লক্ষ্যবস্তু, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের ঘটনা এবং বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসাবশেষ পড়ার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও তথ্য ও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ।
মন্তব্য করুন