অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:০১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

মুখ অতিরিক্ত ঘামে কেন? জেনে নিন

ছবি: সংগৃহীত



স্বাভাবিকের থেকে বেশি ঘাম হওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয়।
ঘাম পুরো শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে হতে পারে। গরমের সময় ব্যায়াম করলে বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। আবার কোনো ওষুধ সেবনের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও বেশি ঘাম হতে পারে―যা খুব কম সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম স্পষ্টতই অস্বাভাবিক।

সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন ভারতের স্কিন ক্রাফট ল্যাবসের প্রধান ডা. কোস্তভ গুহ। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, অনেকেই অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে চিন্তিত। ঘাম সাধারণত ভালো নয়। এরপরও শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘামের প্রবণতা থাকলে হাইপারহাইড্রোসিসের সমস্যা থাকতে পারে।

এ চিকিৎসক বলেন, মুখ ও মাথা ঘামার অর্থ হচ্ছে ক্রেনিওফেইশল হাইপারহাইড্রোসিস। এ জন্য শরীর থেকে ঘাম বের হয়ে শীতল হয়, তাপমাত্রা কমে যায় কিন্তু হাইপারহাইড্রোসিস হলে কোনো কারণ ছাড়াই বেশি ঘাম হয়। এমনকি শরীর ঠান্ডা করারও প্রয়োজন হয় না। শতকরা প্রায় দুই-তিনজন এই সমস্যায় ভোগে থাকেন।

অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ:

এ ব্যাপারে চিকিৎসক কোস্তভ বলেন, হাইপারহাইড্রোসিস ছাড়াও বংশগত, দীর্ঘ ঘামগ্রন্থি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি, অতি আবেগ, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ এবং চিকিৎসাগত কারণেও মুখ ও মাথায় অস্বাভাবিক ঘাম হতে পারে।

ভারতের পুনেতে অবস্থিত কোরেগাঁও পার্কের ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. হিতাশা পাতিল একটি তালিকায় হাইপারহাইড্রোসিসের কিছু সাধারণ লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে হাতের তালু, পায়ের তলা, বাহুমূল ও মুখ ঘামা। মুখ অতিরিক্ত ঘামার কারণ হচ্ছে একক্রিন গ্রন্থির অতিরিক্ত উত্তেজনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না। যদিও এটি বংশগত হতে পারে। আবার কখনো উদ্বেগ, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, মেনোপেজ, ইনসুলিন, পাইলোকারপাইন ইত্যাদি ওষুধজনিত কারণেও হতে পারে।

অতিরিক্ত ঘাম বন্ধের উপায়:

অতিরিক্ত ঘাম ক্ষতিকর নয়। তবে এটি ব্যক্তির আত্মসম্মান কমায় এবং কখনো বিব্রতবোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনো এটি সম্পর্কে প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে। এ জন্য এর চিকিৎসা প্রয়োজন। ডা. হিতাশা পাতিল মুখের অতিরিক্ত ঘাম কমাতে পারে এমন কয়েকটি উপায় জানিয়েছেন।

অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করা। বোটক্স ঘামগ্রন্থির স্নায়ুকে নিষ্ক্রিয় করে। যা প্রায় ৮ মাস বা এরও বেশি সময় স্থায়ী হয়। অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ সেবন করতে পারেন, এটি মুখের ঘাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো অবস্থা কাটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত ওষুধও অতিরিক্ত ঘাম সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হচ্ছে পাউডার ব্যবহার করা। 

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসলামে মানুষের প্রতি দয়া ও মানবসেবার গুরুত্ব

1

কলম্বিয়ার কট্টর ডানপন্থী প্রার্থীকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থ

2

আগামী দিনের ফুটবল তারকা কারা, ১০ প্রতিভার নাম প্রকাশ মেসির

3

ইরান যুদ্ধ ‘শেষের পথে : ট্রাম্প

4

ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

5

ভিত্তিহীন গল্প ছড়িয়ে সবাই আমাদের পতন দেখার অপেক্ষায় ছিল: ডি

6

‘আমাকে অনেক ভুগতে হয়েছে,’ মেসির বিদায়ের পর মদরিচের স্বীকারোক

7

ট্রাম্পের ক্ষমতার সমীকরণ ওলটপালট

8

নোয়াখালী বিভাগ চাই : সংসদে হান্নান মাসউদ

9

নবম পে-স্কেল অনুমোদন: কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়ছে, তালিকা প্রকা

10

দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিম ৩২ কোটি ৮২ লাখ

11

পৃথিবীটা এখনো মেসির, বিশ্বকাপও তার জাদুতে মুগ্ধ

12

ঢাবিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব পাল

13

জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা সেলিম কুমার আর নেই

14

ঢাকা-সিলেট রুটে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণের ঘোষণা

15

রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি: আটক ৪ জনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা

16

মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন থালাপতির প্রার্থী

17

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের রোডম্যাপে অগ্রগতি

18

অর্থের অভাবে মাকে সঙ্গে আনতে পারিনি : কেপ ভার্দের গোলরক্ষক

19

ঋণের চাপে তিন বছরের সন্তানকে সেতুতে রেখে নদীতে ঝাঁপ দম্পতির

20