ডেস্ক রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মার্কিন যুদ্ধবিমানের উড্ডয়ন রুট এখন ইরানের হাতে

সংগৃহীত

মার্কিন যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানগুলো কোন আকাশপথ দিয়ে চলাচল করে তার বিস্তারিত মানচিত্র তৈরি করেছে ইরানের সামরিক কমান্ডাররা—এমন দাবি উঠে এসেছে একাধিক প্রতিবেদনে। এই তথ্যের ভিত্তিতে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে মোতায়েন করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার মিডল ইস্ট আইয়ের এক প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে বলা হয়, এই কৌশলগত অগ্রগতিতে রাশিয়ার গোপন সহযোগিতা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিষয়টিকে “গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো সামরিক পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে এখন এই উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের কূটনৈতিক অনুরোধের পর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকদের দাবি, মার্কিন নীতিনির্ধারকরা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল বলে ধারণা করলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন। আকাশসীমায় আধিপত্য না থাকলেও মার্কিন যুদ্ধবিমান ইরানের আকাশ ব্যবহার করছে, তবে সেখানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি।

যুদ্ধবিরতির আগের সময়কালে একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাও আলোচনায় আসে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

এছাড়া মার্চ মাসে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একাধিক ড্রোন ধ্বংস হওয়ার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব ঘটনা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও উন্নত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সামরিক সহযোগিতা এবং চীনের কাছ থেকে পাওয়া আধুনিক প্রযুক্তি ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে। ফলে বর্তমানে ইরানের প্রতিরক্ষা কাঠামোতে দেশীয়, রুশ ও চীনা প্রযুক্তির সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।

মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের সামরিক বাহিনী এখনো পুরোপুরি দুর্বল হয়নি। বরং তাদের বড় অংশের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত ও মোবাইল লঞ্চার এখনো সক্রিয় রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি

1

এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন জটিলতা: ৮ জুনের মধ্যে বোর্ডে যোগাযোগের

2

বিশ্বকাপের গান নিয়ে ফিরছেন আরমান খান

3

আর্জেন্টিনোফোবিয়া: দলটিকে শান্তিতে জিততেও দেয়া হয় না, হার

4

বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট-হেলমেট পরে এই গরমে মরেই যাবো : সালমান এফ

5

দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত: পাইলটসহ নিহত ১৪

6

জার্মান পর্যটকের হারানো ল্যাপটপ উদ্ধার করে হস্তান্তর করল পুল

7

মেসি-পরবর্তী যুগের পরীক্ষায় আর্জেন্টিনা, তিন তারকাকে পাচ্ছেন

8

গ্রিসে সমুদ্র থেকে বাংলাদেশিসহ ৭৯ অভিবাসী উদ্ধার

9

হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

10

ঈদের ছুটি শেষে আজ খুলছে অফিস-আদালত

11

রাজধানীর কালশীর বস্তিতে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৭ ইউনিট

12

মেসির পায়ে বল থাকলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়

13

মার্কিন হামলায় কুয়েত-বাহরাইনকে দায়ী করল ইরান

14

অনুসন্ধানে বিদেশে কিছু পেলে আমাকে ১০ শতাংশ দিয়েন: আসিফ মাহমু

15

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিল ইরান

16

যার একজন আর্জেন্টাইন বন্ধু আছে, তার কাছে একটি অমূল্য সম্পদ আ

17

সোনার দাম কমল ভরিতে ২১৫৮ টাকা

18

ব্রাজিল জিতেছে, কিন্তু লড়াইটা দিয়েছে হাইতি

19

শত্রু থেকে বন্ধু হচ্ছে চীন-ভারত

20