রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এ এবার বৈশাখী শোভাযাত্রায় থাকছে ভিন্নধর্মী ও প্রতীকী বার্তা। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক বাস্তবতাকে যুক্ত করা হয়েছে এবারের আয়োজনের থিমে।
চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জানান, এবারের শোভাযাত্রায় ঘোড়াগাড়ি ও টমটম যুক্ত করা হয়েছে, যা বাঙালির ঐতিহ্যবাহী বাহন হিসেবে উপস্থাপিত হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিকল্প শক্তি ও স্বনির্ভরতার বার্তা তুলে ধরাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, ঘোড়ার নিরবিচ্ছিন্ন গতি ও ঐতিহ্যবাহী বাহনের ব্যবহার স্বনির্ভরতার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে দেখানো হবে যে, সংকটের মধ্যেও নিজস্ব শক্তিতে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
এবারের শোভাযাত্রায় ইলিশ মাছ, রাজা-রানির মুকুটসহ বিভিন্ন লোকজ প্রতীকের প্ল্যাকার্ডও থাকবে, যা বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরবে। ইতোমধ্যে এসব উপকরণ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।
শোভাযাত্রা শুরু হবে সকাল ১০টায় চারুকলা প্রাঙ্গণ থেকে। দিনব্যাপী আয়োজনে বিকেল থেকে বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চারুকলার শিক্ষার্থী ও বাউল শিল্পীরা অংশ নেবেন।
এছাড়া সন্ধ্যায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর উদ্যোগে ‘লোকসুরে নববর্ষ’ শিরোনামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলও খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
মন্তব্য করুন