ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এখন পর্যন্ত ১২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মনোনয়ন সংগ্রহকারীরা সবাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে জানা গেছে, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
ইসির যুগ্ম সচিব ও এই নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান জানিয়েছেন, অনেকেই নিয়মিতভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন এবং সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। তিনি আরও জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ২১ এপ্রিল এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রার্থীদের আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল, বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল করা যাবে ২৬ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। এই সময়সূচি অনুসারে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
আসন বণ্টনের ক্ষেত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তাদের জোট পাবে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট পাবে ১৩টি আসন এবং ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর জোট পাবে একটি আসন। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা কোনো জোটে যোগ দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের এই মনোনয়ন সংগ্রহের হার দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে একটি দল থেকে বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়ন সংগ্রহ নির্বাচনের প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশিত হলে নির্বাচনের চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
মন্তব্য করুন