ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় পদ্মা সেতু এলাকায় এখন পর্যন্ত স্বস্তিদায়ক পরিবেশ বিরাজ করছে। মাওয়া প্রান্তে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনার কারণে কিছু স্থানে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
গত রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়কের পৃথক দুটি স্থানে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটায় এক্সপ্রেসওয়েতে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়, ফলে যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
পদ্মা সেতুর সাইট প্রকৌশলী আবু সাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাত ১২টা থেকে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ২৫ হাজার ৯৯৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এই সময়ে দুই প্রান্ত থেকে মোট ৩ কোটি ৩৯ লাখ ৩৫০ টাকা টোল আদায় করা হয়।
এর মধ্যে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ১৩ হাজার ২৭৯টি যানবাহন পারাপার হয় এবং এক কোটি ৬৫ লাখ ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা নগদ টোল আদায় করা হয়। পাশাপাশি ক্রেডিট ও ইটিসিএস ট্যাগের মাধ্যমেও টোল আদায় সম্পন্ন হয়।
অন্যদিকে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১২ হাজার ৭২০টি যানবাহন পারাপার হয়। এই প্রান্ত থেকে নগদসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মোট টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু এলাকায় ৬টি টিম কাজ করছে। এর মধ্যে ৪টি চেকপোস্ট এবং ২টি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চালানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন