জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিক রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না হলেও নৈতিকভাবে দায় এড়াতে পারেন না।
বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন এ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, নাহিদ ইসলাম দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা তার দায়িত্বকালীন সময়ে সংঘটিত হয়েছে।
রাশেদ খাঁনের মতে, নাহিদ ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহকারী ও বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ড নিয়েও গণমাধ্যমে নানা অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তার মতে, এসব ঘটনার দায় সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সম্ভব নয়।
তিনি আরও দাবি করেন, নাহিদ ইসলাম নিজেই একসময় স্বীকার করেছিলেন যে কিছু উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। তবে এখন সেই উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধেই দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠছে, যা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি এনসিপির অর্থায়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার দাবি, কিছু ধনী ব্যক্তি দলটিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন—যা নিয়ে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
এছাড়া তিনি সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনকে নিয়েও সমালোচনা করেন এবং দাবি করেন, উপদেষ্টা থাকাকালীন সময়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠনে যুক্ত ছিলেন, যা তার মতে নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার না হওয়া এবং দায়িত্ব ছাড়ার পর নেওয়া কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েও নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন এড়াতে পারেন না।
সব মিলিয়ে তার বক্তব্যে নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ না থাকলেও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে।
মন্তব্য করুন