মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে Iran এখন আর একা কোনো শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। বরং বৈশ্বিক পরাশক্তি China এবং Russia-এর কৌশলগত সমর্থনে দেশটি একটি নতুন শক্তির বলয়ে অবস্থান করছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এই সমীকরণকে শুধু কূটনৈতিক সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এটি একটি বিস্তৃত ভূরাজনৈতিক কৌশলের অংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, United States এবং Israel-এর প্রভাব মোকাবিলায় মস্কো ও বেইজিং সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Abbas Araghchi সম্প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছেন, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক সমর্থনের মাধ্যমে রাশিয়া ও চীন ইরানের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার উন্নত প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা সহায়তা ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক যুদ্ধ এখন আর শুধুমাত্র সরাসরি সংঘর্ষে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি অর্থনীতি, প্রযুক্তি, জ্বালানি এবং কৌশলগত প্রভাবের বহুমাত্রিক প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরান-রাশিয়া-চীন সম্পর্ক একটি নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে, যা বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
এছাড়া Middle East Monitor-এর এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই সংঘাতে রাশিয়া ও চীন সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও তারা নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে, বিশ্ব ধীরে ধীরে একক প্রভাব থেকে সরে বহুমেরুকেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। আর এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে ইরান, রাশিয়া ও চীনের এই ঘনিষ্ঠতা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন