পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়িত হলে পাবনাসহ দেশের চার বিভাগের ১৯ জেলার উন্নয়ন চিত্র বদলে যেতে পারে। পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, সেচ, নদী ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে প্রকল্পটি।
প্রকল্পের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যয় হতে পারে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া কাঞ্চনপার্ক এলাকায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প পরিদর্শন ও কারিগরি বিষয়ে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পের উদ্বোধনের কথা জানান। তিনি প্রকল্পটিকে বিএনপির মেগা প্রকল্প হিসেবেও উল্লেখ করেন।
প্রকল্পের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, এটি বাস্তবায়িত হলে চার বিভাগের ১৯ জেলার ১২০টি উপজেলার মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হতে পারেন। এর মধ্যে রয়েছে শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির প্রাপ্যতা বাড়ানো, নদী পুনরুজ্জীবন, জলাবদ্ধতা কমানো, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণের সক্ষমতা তৈরি করা হবে।
প্রথম পর্যায়ের আওতায় খুলনা বিভাগের ১০টি জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো হলো কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা।
ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ; রাজশাহী বিভাগের পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলা রয়েছে এ তালিকায়।
প্রকল্পের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, সামগ্রিক প্রকল্প এলাকা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৩৭ শতাংশজুড়ে বিস্তৃত। প্রথম পর্যায়ের কার্যক্রমের আওতায় ১৯ জেলার ১২০টি উপজেলার মানুষ উপকৃত হওয়ার কথা।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য পাঁচটি নদী ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা। এগুলো হলো হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতি নদী ব্যবস্থা।
প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে এসব নদী ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি সরবরাহ করা হবে। একই সঙ্গে গোদাগাড়ি পাম্প হাউস, গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জিকে) সেচ প্রকল্প এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য রয়েছে।
জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত পানি সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা হলো—
হিসনা-মাথাভাঙ্গা: প্রতি সেকেন্ডে ২৩৯ ঘনমিটার
গড়াই-মধুমতি: প্রতি সেকেন্ডে ২৩০ ঘনমিটার
চন্দনা-বারাশিয়া: প্রতি সেকেন্ডে ৮০ ঘনমিটার
বড়াল: প্রতি সেকেন্ডে ২২ ঘনমিটার
ইছামতি: প্রতি সেকেন্ডে ২৫ ঘনমিটার
গোদাগাড়ি পাম্প হাউস: প্রতি সেকেন্ডে ৬৪ ঘনমিটার
জিকে সেচ প্রকল্প: প্রতি সেকেন্ডে ১৩৬ ঘনমিটার
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র: প্রতি সেকেন্ডে ৩ ঘনমিটার
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ বজায় রাখা, কৃষিতে সেচের পানির জোগান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রকল্পের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য কৃষিতে সেচের পানির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, বৃহত্তর কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পাবনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ২৮ লাখ ৮০ হাজার হেক্টর নিট চাষযোগ্য জমিতে সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানির সংস্থান নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব এলাকার মোট বা গ্রস চাষযোগ্য জমির পরিমাণ প্রায় ৪৬ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর।
এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির সংকট মোকাবিলা, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব সুফল নির্ভর করবে প্রকল্প বাস্তবায়ন, পানির সুষ্ঠু বণ্টন এবং সংশ্লিষ্ট নদী ও সেচ অবকাঠামোর কার্যকারিতার ওপর।
প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রায় কৃষি ও মৎস্য খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ রয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২৩ লাখ ৯০ হাজার টন ধান এবং ২ লাখ ৩৪ হাজার টন অতিরিক্ত মৎস্য উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলায় লবণাক্ত পানির অনুপ্রবেশ কমানো প্রকল্পটির অন্যতম উদ্দেশ্য। পাশাপাশি সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য ও বনসম্পদ সংরক্ষণে স্বাদু পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলো থেকে পলি অপসারণ এবং নদী ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে যশোরের ভবদহসহ বিভিন্ন এলাকার জলাবদ্ধতা কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পদ্মানির্ভর এলাকার নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে আর্সেনিক দূষণ কমানোর সুযোগ তৈরির কথা বলা হয়েছে প্রকল্পের সারসংক্ষেপে।
তবে নদী পুনরুজ্জীবন, লবণাক্ততা হ্রাস ও জলাবদ্ধতা নিরসনের সুফল কতটা পাওয়া যাবে, তা নির্ভর করবে প্রকল্পের নকশা, পানির প্রবাহ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত প্রভাব এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণের ওপর।
পদ্মা ব্যারেজ ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে স্পিলওয়ে, আন্ডারগেট, মাছ চলাচলের পথ, নৌযান চলাচলের লক, গাইড বাঁধ ও সংযোগ বাঁধ রয়েছে।
এ ছাড়া গড়াই নদীর উৎসমুখে বা অফটেকে অবকাঠামো নির্মাণ, চন্দনা ও হিসনা নদীর অফটেক অবকাঠামো স্থাপন, গড়াই-মধুমতি নদী ব্যবস্থায় ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার ড্রেজিং, হিসনা নদী ব্যবস্থায় ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার নিষ্কাশন খাল পুনঃখনন এবং ১৮০ কিলোমিটার এফ্লাক্স বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ব্যারেজের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ১ কিলোমিটার। এতে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট, ১৮টি আন্ডারগেট, একটি নেভিগেশন লক ও দুটি ফিশ পাস রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চারটি টারবাইন স্থাপনের কথা বলা হয়েছে।
প্রকল্পের সারসংক্ষেপে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে দুটি ভিন্ন পরিসংখ্যান রয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার অংশে আনুমানিক ১১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে ব্যারেজের সংক্ষিপ্ত বিবরণে চারটি টারবাইনের মোট উৎপাদনক্ষমতা ৭৬ দশমিক ৪০ মেগাওয়াট উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রকল্পের চূড়ান্ত নথি থেকে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকৃত সক্ষমতা নির্ধারণে চূড়ান্ত নকশা ও কারিগরি হিসাব গুরুত্বপূর্ণ হবে।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনায় শুধু পানি ব্যবস্থাপনা নয়, ভূমি উন্নয়ন ও নগরায়ণের বিষয়ও রয়েছে। প্রকল্পের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, ভূমি উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সাতটি স্যাটেলাইট শহর প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ৩ হাজার ৪৫০ একর এলাকায় প্রায় দেড় লাখ পরিবারের জন্য আধুনিক নগরসুবিধাসম্পন্ন গ্রামীণ জনপদ বা রুরাল টাউনশিপ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। ব্যারেজের ওপর সড়ক সংযোগ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন স্থাপনের সম্ভাবনাও প্রকল্পের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রকল্প বাস্তবায়নকালে প্রায় ৪৭ হাজার ৯৫০ জনের জন্য ১২ কোটি ২৫ লাখ জন-দিন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৯ লাখ ২৭ হাজার স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও সারসংক্ষেপে উল্লেখ রয়েছে।
প্রকল্পের অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে ২০২৪-২৫ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এর আর্থিক মূল্য হিসেবে ২৪ হাজার ৮৫১ কোটি ৪৩ লাখ টাকার উল্লেখ রয়েছে। প্রকল্পের সারসংক্ষেপে প্রত্যক্ষ সুফলের প্রভাব শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং পরোক্ষ সুফলের প্রভাব শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বছরে আনুমানিক ৮ হাজার কোটি টাকার প্রত্যক্ষ আর্থিক রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হয়েছে। তবে এসব পরিসংখ্যান প্রকল্পের প্রাক্কলিত লক্ষ্য ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের অংশ। বাস্তবে সুফল অর্জনের মাত্রা নির্ভর করবে ব্যয়, বাস্তবায়নের অগ্রগতি, পানির প্রাপ্যতা এবং প্রকল্প-পরবর্তী ব্যবস্থাপনার ওপর।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের পরিচালক হাসান মাহমুদ বলেন, পাবনার সুজানগর থেকে রাজবাড়ীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাবনা, রাজবাড়ীসহ ১৯ জেলার চিত্র পাল্টে যাবে। দেশের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মিত হলে প্রায় আট মাস বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যও প্রকল্পটি সুফল বয়ে আনবে। বর্ষা মৌসুমে ব্যারেজের ৭৮টি গেট খোলা রাখা হবে। এতে পানিপ্রবাহ ব্যবস্থাপনা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, প্রথম পর্যায়ের পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আওতায় পাবনার সুজানগর ও রাজবাড়ীর পাংশা সংযুক্ত হবে।
পানিসম্পদমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাবনাসহ দেশের অসংখ্য জেলার চিত্র পাল্টে যাবে। এর মাধ্যমে অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করছেন তিনি।
সব মিলিয়ে পদ্মা ব্যারেজের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়িত হলে কৃষি, সেচ, নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এ প্রকল্পের সুফল পেতে সময়মতো বাস্তবায়ন, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, স্বচ্ছ ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং নদীভিত্তিক পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
মন্তব্য করুন