ইরানের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে অন্তত ৪২টি মার্কিন সামরিক বিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এক প্রতিবেদনে।
মার্কিন কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের তথ্যের বরাতে বলা হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া এই অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে একাধিক যুদ্ধবিমান, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান, নজরদারি বিমান, বিশেষ অভিযান হেলিকপ্টার এবং বিভিন্ন ধরনের ড্রোন। তালিকায় আধুনিক যুদ্ধবিমান ও নজরদারি প্রযুক্তি সম্পন্ন বিমানও রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের প্রকৃত সংখ্যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। কারণ হিসেবে গোপনীয় তথ্য, চলমান সামরিক অভিযান এবং ঘটনাস্থল যাচাই প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতাকে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর, সেন্ট্রাল কমান্ড এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসাব তৈরি করা হয়েছে।
এদিকে পেন্টাগনের এক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযানের ফলে সামরিক ব্যয়ও ব্যাপকভাবে বেড়েছে, যা ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জাম মেরামত ও প্রতিস্থাপনের কারণে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় আরও বাড়তে পারে এবং নতুন করে যুদ্ধ সরঞ্জাম পুনর্গঠনের চাপ তৈরি হবে।
মন্তব্য করুন