বাংলাদেশ ক্রিকেটের তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে এবার তার মাঠের পারফরম্যান্স নয়, বরং মামলা ও রাজনৈতিক ইস্যু ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলো থেকে নাম সরিয়ে দেওয়ার জন্য একটি পক্ষ তার কাছে এক কোটি টাকা দাবি করেছিল।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তার নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এসব মামলার কয়েকটিতে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য হিসেবে আসামি হিসেবে উল্লেখ রয়েছেন।
সাকিবের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি মহল অর্থের বিনিময়ে তাকে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নয়।
তিনি বলেন, তাকে বলা হয়েছিল নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হবে। তবে তার মতে, মামলা দায়েরের পর শুধুমাত্র বাদীপক্ষের ইচ্ছায় নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়, বরং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের ওপর নির্ভর করে।
কারা এই প্রস্তাব দিয়েছে—এ বিষয়ে সাকিব জানান, এফআইআরে যোগাযোগের জন্য যাদের নাম ছিল, তাদের মাধ্যমে বিষয়টি তার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে মধ্যস্থতাকারীদের পরিচয় তিনি প্রকাশ করতে চাননি।
টাকা দেওয়ার প্রস্তাব পেয়ে তিনি কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন—এ প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি সমাধান করা উচিত নয়। তার মতে, এ ধরনের প্রস্তাব তার বিরুদ্ধে ভুল ধারণা তৈরি করে। তিনি আরও বলেন, মানুষ হয়তো ধরে নেয় তার কাছে প্রচুর অর্থ রয়েছে বলেই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন