রাজধানীর বাজারে বাড়তে শুরু করেছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ। এতে গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে বেশিরভাগ সবজির দাম। ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের মতো শীতের সবজি এখন তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। তবে মাছের বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সরবরাহ কম থাকায় রুই, পাঙাশ ও কৈ মাছের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমলেও সোনালী ও ব্রয়লার মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ টাকা, লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া পটল ৪০ টাকা, কচু ৬০ টাকা, ফুলকপি ৩০ টাকা, বাঁধাকপি ২৫ টাকা এবং শিম ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় দাম কমেছে। বিশেষ করে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিম এখন আগের তুলনায় কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা শাহবুদ্দিন বলেন, ‘শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। সরবরাহ আগের চেয়ে বেড়েছে। এ কারণে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমসহ বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে।’
সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘গত সপ্তাহের তুলনায় এবার বেশ কিছু সবজির দাম কমেছে। বিশেষ করে শীতের সবজি কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। তবে বাজারে সব পণ্যের দাম আরও কমলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হবে।’
সবজির বাজারে স্বস্তি থাকলেও মাছের বাজারে দেখা গেছে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। বর্তমানে রুই মাছ প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম বেড়েছে ২০ টাকা।
এ ছাড়া কাতলা মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাঙাশ মাছের দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং কৈ মাছের দাম ২০ টাকা বেড়ে ২২০ টাকা কেজি হয়েছে।
মাছ বিক্রেতাদের ভাষ্য, বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকায় রুই, পাঙাশ ও কৈ মাছের দাম বেড়েছে।
মুরগির বাজারে ব্রয়লার প্রতি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালী মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এ দুই ধরনের মুরগির দামে পরিবর্তন হয়নি।
তবে লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কমে ৩৩০ টাকায় নেমেছে।
অন্যদিকে, ডিমের বাজারে দামের কোনো পরিবর্তন নেই। বর্তমানে প্রতি ডজন লাল ডিম ১৩০ টাকা এবং সাদা ডিম ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে দুই ধরনের ডিম।
মন্তব্য করুন